*জাহানপুর কারামতিয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি পদটি এনায়েত গোলদার অবৈধভাবে দখল করে রাখে। এর বিরুদ্ধে মাদ্রাসার সভাপতি জনাব মাকসুদুর রহমান হাইকোর্টে রিড করলে এনায়েত গোলদারের অবৈধভাবে দখলকৃত সভাপতি পদটি স্থগিত করা হয়। এই খবর পেয়ে এনায়েত গোলদার মাদরাসার অফিস রুমে এসে সুপারকে অসালিন ভাষায়, মা বোন তোলে গালি গালাজ করে সুপারের উপর হামলা চালায়।
এবং সুপারের জামা ছিরে ফেলে।
এসময় মাদরাসার শিক্ষক জনাব মোছলেহ উদ্দিন ও জহির মাস্টার এনায়েত গোলদারকে উসকানি প্রদান করেন।
এবং সেখানে উপস্থিত মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাষ্টার রিয়াদ হোসেন, আবুল বাসার ও মামুন সাহেব পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জনাব মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন আমি কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য নিজ থেকে আবেদন করি নাই, আমি দীর্ঘ ৪০ বছর এই মাদ্রাসায় সুপার ছিলাম।
মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধির মিটিং এ ৭ জন রেজুলেশনে স্বাক্ষর করে, তাদের সমর্থনে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব খায়রুল ইসলাম আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করেন।
এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার খায়রুল ইসলামের স্বাক্ষরিত কপি মাদ্রাসা বোর্ডে প্রেরণ করা হয়।
(মাদ্রাসায় প্রত্যেকের স্বাক্ষরকৃত রেজুলেশন তাঁর প্রমান।)
এবং মাদরাসা বোর্ড এই কমিটি অনুমোদন প্রদান করেন।
মাদ্রাসা বোর্ড মাওলানা মাকসুদুর রহমানকে সভাপতি করে কমিটি অনুমোদন করার পরেও এনায়েতুল্লাহ ক্ষমতার লোভে নিয়মবহির্ভূতভাবে পাঁচজনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ প্রয়োগ ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে স্বাক্ষর নেন।
এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার একজন শিক্ষকের মাধ্যমে নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিজেকে সভাপতি করেন।
তাঁর সেই নিয়মবহির্ভূত সভাপতি পদ হাইকোর্ট স্থগিত করেদেন।
মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বিচার চেয়ে সঠিকটা ফিরে পাওয়া এটা দায়িত্বের অংশ। এবং আমি যে সঠিকভাবে সভাপতি হয়েছি তার বাস্তব প্রমাণ।
এনায়েত গোলদারের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট রায় দিয়েছে তার সভাপতি পদ নেই এখবর শুনে এনায়েতুল্লাহ মাদ্রাসার অফিসে গিয়ে সুপারের গায়ে হাত তোলে, জামা ছিড়ে ফেলে, এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, এটা কোন সভ্যতার মধ্যে পরে?
যে নিজের স্বার্থে ওস্তাদের গায়ে হাত তুলতে পারে, সে ক্ষমতা ফেলে জনগণকে কি করবে, এটা জনগণের মাঝে প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মূলত এনায়েতুল্লাহ এমপি সাহেবকে নিজের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে
মানুষকে শোষণ, নিপীড়ন, অবিচার ও অন্যায় কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
বিভিন্ন অপকর্ম, অন্যায়, জুলুম, অপরাধ ও নির্যাতনের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন।
এতে এলাকায় এমপি সাহেবের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।
এমপি মহোদয় নিজের ভূমিকা, জনবান্ধব কার্যক্রম এবং উন্নয়নের কারণে চরফ্যাসনবাসীর হৃদয়ের মানুষে পরিণত হয়েছে।
সকলেই তাকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে জানে।
এনায়েতুল্লাহ গোলদার এমপি মহোদয়ের সুনাম, সুখ্যাতি ক্ষুন্ন করে যাচ্ছে
এর বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে।
এই ফ্যাসিষ্ট সন্ত্রাসী এনায়েত গোলদার থেকে জাহানপুরকে মুক্ত রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন