এফ নিউজ ডেস্ক
১৮ মার্চ ২০২৫, ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

আছিয়ার মৃ”ত্যু”র আসল ঘটনা উদঘাটন

আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।
একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি।
বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কূ-নজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কেউ একজন উঠে।
এখন যে আছে সে হয়ত আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমি ব্যাথায় চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
আমি কন্ঠ চিনতে পারি। এটা আমার শশুর,
তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর।
এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি।
পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি।
এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে।
আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে।
তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি।
মা বিষয়টি বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে।
আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়।
আছিয়াকে আমার শাশুড়ী তার সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি।
গতরাতের ন্যায় একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায় তখন আছিয়া পাশেই ছিল, তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে।
স্বামীকে দেখাতে হবে এটা তার বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়।
প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন? আর এ অবস্থায় কেন?
তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে।
আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা।
আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে।
এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে। তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা করে।
সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধ”র্ষ”ণ করতে যায়।
আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষ”ণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে – আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পো”প”না”ঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট।
সেজন্যে ধ*র্ষ”ককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গো’প”না”ঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর।
তারপর গো”প”না”ঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।
একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে।
আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।
কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধ”র্ষ”ণ করে আছিয়াকে।
এরপর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি? আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই।
এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মে”রে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ।
আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত র”ক্ত”ক্ষ”রণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া মরে গেছে।
এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়াকে ধ”র্ষ”ণ করে।
এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে।
আফিয়া ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধ”র্ষ’ণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী।
শুধু আছিয়া ধ”র্ষ”নের স্বীকার হয়নি,তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া ম”রে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও ম”রার মতো,

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://fnewsbd.com/%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a6%be/" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপর আস্থা নেই: ইরানি স্পিকার

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল

দেবিদ্বারে সরকারি ক্রীড়া সামগ্রী ছাত্রশক্তির ব্যানারে বিতরণের অভিযোগ

যেসব এলাকায় টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না আজ

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ

২০২৫ সালের তুলনায় কমেছে অপরাধের সংখ্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গন্ধর্বপুর প্রকল্প চালু হলে দিনে ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি ঢাকায় সরবরাহ করা যাবে: মির্জা ফখরুল

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘জাতির জন্য লজ্জার’: নাহিদ ইসলাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

১০

শাকিবকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট মিষ্টি জান্নাতের

১১

গ্রুপ পর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত কেমন হতে পারে আর্জেন্টিনার পথ

১২

জেলেনস্কির সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব নাকচ পুতিনের

১৩

‘ফাটল সৃষ্টির চেষ্টা করে লাভ নেই, আমরা সবাই এক পরিবার’

১৪

ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?

১৫

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৬

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, ভাঙারিতে বিক্রি

১৭

বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার

১৮

সাবেক সংসদ সদস্য রহমতুল্লাহ আর নেই

১৯

‘এই অর্জন বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলের জন্য গৌরবের’

২০